adimage

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বিকাল ১২:৪৯, শনিবার

মুশফিক তাণ্ডবে টাইগারদের দাপুটে জয়

আপডেট  06:12 PM, মার্চ ১০ ২০১৮   Posted in : স্পোর্টস    

মুশফিকতাণ্ডবেটাইগারদেরদাপুটেজয়

স্পোর্টস ডেস্ক, ১১ মার্চ : টি-টোয়েন্টিতে ২১৫ রান তাড়া করে জেতা সহজ কাজ নয়। এর আগে কখনো দুই শতাধিক রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড ছিল না টাইগারদের। শনিবার (১০ মার্চ) কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ২১৫ রান তাড়া করে জয় তুলে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।

ওপেনিং জুটিতে তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস যেভাবে ব্যাটিং করেছেন তাতে ২১৫ রানের লক্ষ্যও সহজ মনে হয়েছিল। এরপর সৌম্য, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে রোমাঞ্চকর জয় ধরা দেয় বাংলাদেশের হাতে। তামিম-লিটন ভালো সূচনা এনে দেয়ার পর সৌম্য, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে প্রয়োজনীয় রান রেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলে বাংলাদেশ। তাতে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর করে টাইগাররা।

এ জয়ে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে যাওয়ার পথটি এখনো খোলা থাকল বাংলাদেশের জন্য।

২১৫ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা রান পায়। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ও লিটন ৭৪ রান তুলে জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে যান। এরপর লিটন ১৯ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় ৪৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন। সেখান থেকে সৌম্য সরকারকে সঙ্গে নিয়ে ৯.২ ওভারেই শতরান তুলেন তামিম। কিন্তু পরের বলেই আউট হন দেশসেরা ওপেনার। যাওয়ার আগে ২৯ বলে ৬টি চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ রান করেন। তৃতীয় উইকেটে মুশিফক ও সৌম্য ৫০ রান তুলেন।

১৪.২ ওভারের মাথায় দলীয় ১৫১ রানের সময় হাতখুলে মারতে শুরু করা সৌম্যও আউট হন। ২২ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ রান করেন। সেখান থেকে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ দলীয় সংগ্রহকে ১৯৩ পর্যন্ত টেনে নেন। জয়ের বন্দর থেকে ২২ রান দূরে থাকতে আউট হন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে চামিরার হাতে ধরা পড়েন তিনি। দারুণ দক্ষতায় তার বল তালুবন্দি করেন চামিরা। এরপর সাব্বির রহমান ডাক মেরে ফিরলেও মুশফিক একপ্রান্ত আগলে রেখে জয় তুলে নিয়ে মাঠ ছাড়েন। অভিজ্ঞত এ ব্যাটসম্যান মাত্র ৩৫ বলে ৫টি চার ও ৪ ছক্কায় ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন।

তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। উদ্বোধনী জুটিতে ৫৬ রান তুলেন গুনালিথাকা ও কুশাল মেন্ডিস। এরপর মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়ে যান গুনাথিলাকা। ১৯ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২৬ রান করে যান তিনি। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৮৫ রান তোলেন কুশাল মেন্ডিস ও কুশাল পেরেরা। ১৪১ রানের মাথায় মেন্ডিস ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে আউট হন। ৩০ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় করে যান ৫২ রান।

এরপর মাহমুদউল্লাহ এক ওভারে জোড়া আঘাত করেন। শানাকাকে ০ রানে ও চান্দিমালকে ২ রানে ফেরান। এরপর উপল থারাঙ্গাকে নিয়ে দলীয় সংগ্রহকে ২০০ পার করেন পেরেরা। দলীয় ২০৫ রানের মাথায় মুস্তাফিজ ফেরান পেরেরাকে। ৪৮ বলে ৮টি চার ও ২ ছক্কায় ৭৪ রান করে যান তিনি। থারাঙ্গা শেষ পর্যন্ত অপাজিত থেকে ১৫ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কায় ৩২ রান করেন। তাতে ৬ উইকেট হারিয়ে ২১৪ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা।

বল হাতে বাংলাদেশের মুস্তাফিজ ৩টি, মাহমুদউল্লাহ ২টি ও তাসকিন আহমেদ ১টি উইকেট নেন।

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul