adimage

২৩ অক্টোবর ২০১৯
বিকাল ০৭:৫০, বুধবার

বুয়েটের সব ভবনে তালা ঝোলানোর হুমকি শিক্ষার্থীদের

আপডেট  07:58 AM, অক্টোবর ১০ ২০১৯   Posted in : শিক্ষাঙ্গন    

বুয়েটেরসবভবনেতালাঝোলানোরহুমকিশিক্ষার্থীদের

ঢাকা, ১০ অক্টোবর : আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবি নিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম শুক্রবার বেলা ২টার মধ্যে তাদের সঙ্গে কথা না বললে প্রতিষ্ঠানের সব ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

আবরার ফাহাদকে হত্যায় জড়িতদের বিচার দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলনে বসা শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ হুমকি দেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আবারও ১০ দফা দাবি এবং এগুলোর অগ্রগতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তারা। এসময় তারা বলেন, যেসব দাবি জানানো হয়েছে সেগুলো নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের সঙ্গে কোনও কথা বলেনি।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, শুক্রবার বেলা ২টার মধ্যে দাবিগুলো নিয়ে উপাচার্য আমাদের সঙ্গে কথা না বললে আমরা সব ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেব।

এর আগে অবস্থান নিয়ে বুয়েটে চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ক্লাস-পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের জেরে আবরারকে রোববার রাতে ডেকে নিয়ে যান বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর তাকে শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে কয়েক ঘণ্টা ধরে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

আবরার হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার চেয়ে শিক্ষার্থীরা গত মঙ্গলবার ৮ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। বুধবার তারা আরও দুই দফা দাবি বাড়িয়ে মোট ১০ দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি উপাচার্যের কার্যালয়ে দিয়ে আসেন।

শিক্ষার্থীদের ১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- খুনিদের শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, খুনিদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১১ অক্টোবরের মধ্যে আজীবন বহিষ্কার করা, আবরার হত্যা মামলার সব খরচ এবং ক্ষতিপূরণ বিশ্ববিদ্যালয়কে বহন করা, মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীন স্বল্পতম সময়ে নিষ্পত্তি করা, অবিলম্বে চার্জশিটের কপিসহ অফিসিয়াল নোটিশ দেওয়া, বুয়েটে সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা, ঘটনার পর ভিসি ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়া এবং ৩৮ ঘণ্টা পর গিয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ার কারণ দুপুর ২টার মধ্যে (বুধবার) শিক্ষার্থীদের কাছে জানানো, আবাসিক হলগুলোতে র‌্যাগিংয়ের নামে এবং ভিন্নমত দমনে নির্যাতন বন্ধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা, এ ধরনের ঘটনা প্রকাশে একটি কমন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা, নিরাপত্তার জন্য সব হলের উইংয়ের দুই পাশে সিসি ক্যামেরা বসানো এবং ১১ অক্টোবরের মধ্যে শেরেবাংলা হলের প্রভোস্টকে প্রত্যাহার করা।

ভিসির ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়া এবং ৩৮ ঘণ্টা পর গিয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ার কারণ বুধবার দুপুরে শিক্ষার্থীদের কাছে জানানোর দাবিটি বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শুক্রবার দুপুর ২টার মধ্যে জানাতে বলা হয়। -সমকাল

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul