adimage

২৬ মে ২০১৯
বিকাল ০৭:৩২, রবিবার

রাজশাহীতে আম পাড়া হবে ৭ ধাপে

আপডেট  02:43 AM, মে ১৩ ২০১৯   Posted in : রাজশাহী    

রাজশাহীতেআমপাড়াহবে৭ধাপে

রাজশাহী, ১৩ মে : রাজশাহীতে এবার ১৫ মে থেকে পর্যায়ক্রমে সাত ধাপে বিভিন্ন জাতের আম পাড়া শুরু হবে। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক সভায় আম পাড়ার তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সাধারণত সবার আগে পাকে গুটি জাতের আম। প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই আমটি ১৫ মে থেকে পাড়তে পারবেন চাষিরা। উন্নত জাতের আমগুলোর মধ্যে গোপালভোগ ২০ মে, রানীপছন্দ ২৫ মে, খিরসাপাতা বা হিমসাগর ২৮ মে এবং লক্ষণভোগ বা লখনা নামানো যাবে ২৬ মে থেকে। এছাড়া ল্যাংড়া আম ৬ জুন, আম্রপালি এবং ফজলি ১৬ জুন থেকে নামানো যাবে। আর সবার শেষে ১৭ জুলাই থেকে নামানো যাবে আশ্বিনা জাতের আম।

অপরিপক্ব আমের বাজারজাত ঠেকাতে গেল কয়েক বছর ধরেই রাজশাহীতে আম নামানোর তারিখ নির্ধারণ করে দেয়া হচ্ছে। এবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সভা ডাকা হয়। জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে সভা শুরু হয়। সভায় আম চাষি, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিধিরা তাদের বক্তব্যে তারিখ নির্ধারণের পক্ষে-বিপক্ষে মত দেন। অপরিপক্ব আম যেন কোনোভাবেই বাজারে না আসে, তার জন্য তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা (ইউএনও)। শেষ পর্যন্ত তারিখ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়।

তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই যদি কোনো বাগানে আম পেকে যায়, তাহলে চাষি তা নামাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে বিষয়টি লিখিতভাবে ইউএনও’কে জানাতে হবে। তারপর ইউএনও সরেজমিন বাগান পরিদর্শন করবেন। বাগানে তিনি প্রাকৃতিকভাবে আম পাকা দেখলে তা নামানোর অনুমতি দেবেন। এরপরই আম নামিয়ে বাজারে পাঠাতে পারবেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

সভায় জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদের বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি, গত বছর আম নামানোর তারিখ নির্ধারণ করে দেয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল। তারা নিশ্চিত ছিলেন যে, কোনো রাসায়নিক মিশিয়ে রাজশাহীর আম পাকানো হয়নি, এটা প্রাকৃতিকভাবেই পেকেছে। ফলে রাজশাহীর আমের সুনাম অক্ষুণ্ণ ছিল। এবারও থাকবে।

তিনি বলেন, আম পাড়ার তারিখ নির্ধারণ করা না হলে বাগানে প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধি করা হতো। কেউ যেন আগেভাগে অপরিপক্ব আম নামাতে না পারেন, সেজন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হতো। কিন্তু এত জনবলও আমাদের নেই। সব দিক বিবেচনায় আম নামানোর ক্ষেত্রে তারিখ নির্ধারণ করে দেয়া হল। তবে আগে পাকলে আম নামানোরও সুযোগ থাকল।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আবদুল আলীম, রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক শামসুল হক, রাজশাহী সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলু, পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম হিরা বাচ্চু, বাঘার আমচাষি জিল্লুর রহমান প্রমুখ। -যুগান্তর

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul