adimage

২৩ মে ২০১৮
সকাল ০৭:২২, বুধবার

পর্যটন মৌসুমে ঘুরে আসুন সেন্টমার্টিন

আপডেট  09:53 AM, জানুয়ারী ১৪ ২০১৮   Posted in : ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস     

পর্যটনমৌসুমেঘুরেআসুনসেন্টমার্টিন

ঢাকা ১৪ জানুয়ারীঅনন্য সৌন্দর্য্যের দেশ বাংলাদেশ। প্রকৃতির অফার সম্ভাবনার এই বাংলাদেশের সেরা দ্বীপগুলোর মধ্যে সেন্টমার্টিন অন্যতম। বছরজুড়েই পৃথিবীর নানা দেশের বহু মানুষের ভিড় লেগে থাকে এখানে। দ্বীপের মানুষের জীবনযাপন, এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমুদ্রের সঙ্গে মানুষের চমৎকার মিতালি সবমিলিয়ে যেন এক অন্য রকম অনুভূতি।

সেন্টমার্টিন কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মিয়ানমারের উপকূল হতে আট কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।

সেন্টমার্টিনে প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায়। এতো নারিকেলের জন্য স্থানীয়রা সেন্টামার্টিনকে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলে। কথিত রয়েছে, আরব বণিকেরা এই জায়গার নাম দিয়েছিল জাজিরা। পরবর্তীকালে জাজিরা স্থানীয় লোকদের মাধ্যমে নারিকেল জিঞ্জিরা বলে খ্যাত হয়ে ওঠে। কিন্তু পরবর্তীকালে ইংরেজরা একে সেন্টমার্টিন নামে অভিহিত করে।

এ দ্বীপে দর্শনীয় যা রয়েছে:

এ দ্বীপের তিন দিকের ভিত শিলা, যা জোয়ারে তলিয়ে যায় এবং ভাটার সময় জেগে ওঠে। দ্বীপটি উত্তর ও দক্ষিণে প্রায় ৫.৬৩ কিলোমিটার লম্বা। দ্বীপের প্রস্থ কোথাও ৭০০ মিটার, আবার কোথাও ২০০ মিটার।

এখানে রয়েছে ৬৬ প্রজাতির প্রবাল, ১৮৭ প্রজাতির শামুক-ঝিনুক, ১৫৩ প্রজাতির সামুদ্রিক শৈবাল, ১৫৭ প্রজাতির গুপ্তজীবী উদ্ভিদ, ২৪০ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, চার প্রজাতির উভচর এবং ১২০ প্রজাতির পাখি।

এছাড়াও অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে স্পঞ্জ, শিল কাঁকড়া। সন্ন্যাসী শিল কাঁকড়া লবস্টার ইত্যাদি। মাছের মধ্যে রয়েছে পরী মাছ, প্রজাপতি মাছ, বোল কোরাল, রাঙ্গা কই, সুঁই মাছ, লাল মাছ ইত্যাদি। দ্বীপের দক্ষিণ দিকে প্রচুর পরিমাণে কেওড়ার ঝোঁপ-ঝাড় আছে। দক্ষিণ দিকে কিছু ম্যানগ্রোভ গাছও আছে।


সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul