adimage

১৮ Jun ২০১৯
বিকাল ০৭:০৩, মঙ্গলবার

সরস্বতী পূজা আজ

আপডেট  01:35 AM, ফেব্রুয়ারী ১০ ২০১৯   Posted in : জাতীয়    

সরস্বতীপূজাআজ

ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি : বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা আজ। বাণী অর্চনা ও নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন হিন্দু সম্প্রদায়ের অগণিত ভক্ত। সনাতনী ধর্মীয় বিধান অনুসারে সাদা রাজহাঁসে চড়ে দেবী সরস্বতী পৃথিবীতে আসেন। প্রতি বছর পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী দেবীর পূজা অর্চনা করা হয়। তবে পঞ্জিকা মতে, গতকাল সকাল থেকে শুরু হয়েছে পঞ্চমী তিথি। অনেক বাসা বাড়িতে গতকালই পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই আজ সকাল ১০টার মধ্যেই পূজা শেষ করতে হবে। সনাতন ধর্মালম্বীদের মতে, দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক।

বিদ্যা ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরণে সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে, বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যংদেহী নমোস্তুতে এই মন্ত্র উচ্চারণ করে দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি দিবে ভক্তরা।

প্রতি বছরের মতো এ বছরও সারা দেশে ব্যাপক আয়োজনে সরস্বতী পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছেন ভক্তরা। সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মন্দিরে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিটা মণ্ডপে আজ সারাদিন পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা আরতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছোট ছোট শিশুদের আজ হাতেখড়ি দেয়া হবে। প্রতি বছরের মতো এবারো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ হলে মহাসাড়ম্বরে বিদ্যা ও আরাধনার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। জগন্নাথ হল প্রশাসনের উদ্যোগে কেন্দ্রীয়ভাবে আয়োজিত একটি পূজা ছাড়াও বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে হল পুকুরে থাকবে চারুকলা অনুষদের তৈরি ৪৫ ফুট দীর্ঘ বিশাল অবয়বের একটি প্রতিমা। এ ছাড়া হল জুড়ে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা পূজার আয়োজন করেছে।

এদিকে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট তার বাণীতে বলেছেন, সরস্বতী পূজা বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ধর্মীয় উৎসব। ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে এই উৎসবে সকলের অংশগ্রহণ এ দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ও ঐতিহ্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে বাণী অর্চনার এই আবহ অম্লান হোক। জ্ঞানালোকে উদ্ভাসিত হয়ে দেশের প্রতিটি মানুষ সাম্প্রদায়িকতা, অজ্ঞানতা, থেকে মুক্ত হয়ে একটি কল্যাণকর ও উন্নত সমাজ গঠনে এগিয়ে আসবে এটাই সকলের প্রত্যাশা।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে রয়েছে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা। আবহমানকাল ধরে এখানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে একত্রে বসবাস করে আসছেন। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করেছেন। আমি মনে করি, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। পারস্পরিক এ সম্প্রীতি সামনের দিনগুলোতে আরো সুদৃঢ় হবে - এ আমার বিশ্বাস।     


সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul