adimage

২২ অগাস্ট ২০১৯
বিকাল ০৮:২২, বৃহস্পতিবার

নৌকা ২,৬৭,৬৯৭ ধানের শীষ ১,২১,১৭৯ ভোট

আপডেট  04:08 PM, Jun ২৬ ২০১৮   Posted in : জাতীয়    

নৌকা২,৬৭,৬৯৭ধানেরশীষ১,২১,১৭৯ভোট

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর এখন চলছে গণনা। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ সিটির ভোট চলে।

নির্বাচনে ৫৭টি ওয়ার্ডের মোট ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। বাকি কেন্দ্রগুলোতে বড় কোনও সহিংসতা ছাড়াই ভোট সম্পন্ন হয়েছে।

ভোট গণনা শুরুর পর বেসরকারিভাবে এ পর্যন্ত ২৩২টি কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ পাওয়া ফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২,৬৭,৬৯৭ এবং বিএনপি প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার ধানের শীষে প্রতীকে পেয়েছেন ১,২১,১৭৯ ভোট।

অতীতের যেকোনও সময়য়ের তুলনায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন এ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিবউদ্দীন মণ্ডল।

বিকেলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গাজীপুর সিটিতে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হয়েছে। এটিকে মডেল নির্বাচন হিসেবে আমি উল্লেখ করতে চাই।

ভোটের ফল যা-ই হোক তা মেনে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন চলাকালে ৯টি ভোট কেন্দ্রে বিভিন্ন অভিযোগে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এ নির্বাচনে ৫৫-৬০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বড় কোনও সহিংসতার খবর পাওয়া না গেলেও অনেক কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ করে ভোট বন্ধের দাবি জানান বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার।

দুপুর ১টার দিকে গাজীপুর শহরের বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, 'শতাধিক কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, পুলিশ ও প্রশাসন এসব করছে। আমি এখনই এ ভোট বন্ধের দাবি জানাই।'

তবে বিএনপির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় বুঝে ভোট বন্ধের দাবি তুলেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার।

২০১৩ সালে গঠিত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আয়তন ৩২৯ বর্গকিলোমিটার। বর্তমানে ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার পাঁচ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩৫ ও নারী ভোটার পাঁচ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন। ওয়ার্ড সংখ্যা ৫৭টি। যার মধ্যে ১৯টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড।

নির্বাচনে মেয়র পদে  আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অারও পাঁচজন। তারা হলেন– ইসলামী ঐক্যজোটের ফজলুর রহমান (মিনার), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নাসির উদ্দিন (হাতপাখা), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. জালাল উদ্দিন (মোমবাতি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাজী মো. রুহুল আমিন (কাস্তে) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদ আহমদ (টেবিল ঘড়ি)। ভোটাররা বলছেন, প্রার্থী সাত জন হলেও মূল লড়াই হবে জাহাঙ্গীর আলম ও হাসান সরকারের মধ্যে।

গত ৩১ মার্চ গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সে অনুযায়ী গত ১৫ মে একসঙ্গে দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সীমানা নিয়ে সাভার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সুরুজের এক মামলায় আদালত গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে নির্বাচন কমিশনের আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে সে বাধা কেটে যায়। ইসি ২৬ জুন নতুন করে গাজীপুরে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে। সূত্র: সমকাল

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul