adimage

২৪ অক্টোবর ২০১৮
সকাল ০৬:৩৮, বুধবার

ভারী বর্ষণে রোহিঙ্গা শিবিরে ভূমিধস, শিশু নিহতসহ আহত ৫ শতাধিক

আপডেট  06:36 PM, Jun ১২ ২০১৮   Posted in : জাতীয়    

ভারীবর্ষণেরোহিঙ্গাশিবিরেভূমিধস,শিশুনিহতসহআহত৫শতাধিক

ঢাকা, ১৩ জুন : দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গত চারদিনের টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজার জেলার টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ভূমিধসে এক শিশুর মৃত্যুসহ আরো অন্তত পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে উখিয়ার কুতুপালং ডি-রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮ নম্বর পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
 
গত শনিবার থেকে উখিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত শুরু চলছে। সেই সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইছে। শরণার্থীরা যেসব বাড়ি-ঘরে থাকেন, সেরকম অন্তত ৬০০ ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে ভূমিধসে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অনিয়ন্ত্রিত পাহাড় কাটার কারণে পরিস্থিতি বিরূপ আকার ধারণ করেছে। টেকনাফের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক, জি-সেভেন ব্লক, বালুখালী ক্যাম্প, টেংখালি এসব এলাকায় ভুমিধস ঘটেছে।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে গত কয়েকদিন ধরে ঝোড়ো হাওয়া আর একটানা প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বের জেলা কক্সবাজারে। এই জেলার টেকনাফে বসবাস করছেন সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী। কুতুপালং ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীরা জানান, যারা পাহাড়ের উপরে বা নিচে ঘর বেঁধেছিলেন তারা জখম হয়েছেন। যারা পাহাড়ের নিচে ঘর বানিয়েছেন তারা এখন বন্যার কবলে পড়েছেন।

৭০ কিলোমিটার গতির বাতাসের সঙ্গে ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসের কবলে পড়েছেন অন্তত ২ হাজার ৫শ’ মানুষ। এদের পাশাপাশি আরো প্রায় ১১ হাজার ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। গত শনিবার থেকে কক্সবাজার অঞ্চলে ৪শ’ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা এ বর্ষণের কবলেই দিনযাপন করছেন রোহিঙ্গা শিবিরগুলোর ৯ লাখ শরণার্থীর সবাই।

টেকনাফের শরণার্থীদের জন্য যে ক্যাম্পগুলো তৈরি করা হয়েছে সেগুলো অস্থায়ী ত্রিপলের ছাউনি এবং বেড়া দিয়ে নির্মিত। রেড ক্রিসেন্ট বলছে এখন সেখানে দুই লক্ষের মত মানুষ ভূমি ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশের সরকার এর আগে বলেছিল রোহিঙ্গাদের জন্য নোয়াখালীর ভাসানচরে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে তারা।
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভাসানচরে সুনির্দিষ্ট মডেলে ঘরবাড়ি এবং সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এক লাখ রোহিঙ্গা ভাসানচরে নেয়ার কথা জানানো হলেও ঠিক কবে নাগাদ সেটি শুরু হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। ইউএনএইচসিআর। সৌজন্যে: ইত্তেফাক

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul