adimage

১৮ ডিসেম্বর ২০১৮
বিকাল ০৮:০৩, মঙ্গলবার

আমরা এখনও রায়ের কপি পাইনি: সানাউল্লাহ মিয়া

আপডেট  05:09 PM, ফেব্রুয়ারী ১৩ ২০১৮   Posted in : জাতীয়    

আমরাএখনওরায়েরকপিপাইনি:সানাউল্লাহমিয়া

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি : ‘আমরা এখনও রায়ের কপি পাইনি। আদালত থেকে বলা হয়েছে আগামীকাল (বুধবার) রায়ের কপি সরবরাহ করা হবে। বিশেষ জজ আদালত-৫ এ কপি সরবরাহ করবেন। এ জন্য আমাদের আর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আসতে হবে না।’ বলে মন্তব্য করেছেন কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া

মঙ্গলবার দুপুরে কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে তিনি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দেয়া রায়ের কপি পাওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি কাল (বুধবার) রায়ের কপি পাই, তাহলে পরেরদিন (বৃহস্পতিবার) আপিল করতে পারবো। আপিল করার পর যদি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কাস্টডি অ্যারেস্ট বা প্রোডাকশন অ্যারেস্ট দেওয়া হয় তখন আমরা আদালতে সেগুলো প্রত্যাহারের আবেদন করবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘কারা কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধ কাস্টডি ওয়ারেন্ট বা প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট কিছুই নেই। এমন কোনও ওয়ারেন্ট তাদের কাছে আসেনি। আমরা ওকালতনামায় সই নেয়ার জন্য কারাগারে এসেছিলাম। তবে কাস্টডি ওয়ারেন্ট কারাগারে না আসায় সেটা জেল সুপারের কাছে রেখে এসেছি।’

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করেন বিশেষ আদালতের বিচারক ডা. মো. আখতারুজ্জামান। রায়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

রায় ঘোষণার পর পরই খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর আরো তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তাকে। যদিও মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন খালেদা জিয়াকে অন্য কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এদের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১০ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক হারুন-আর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।



সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul