adimage

২৪ এপ্রিল ২০১৮
সকাল ১১:০৬, মঙ্গলবার

এক ফাঁড়ির সব পুলিশ প্রত্যাহার

আপডেট  04:03 AM, জানুয়ারী ১০ ২০১৮   Posted in : খুলনা    

একফাঁড়িরসবপুলিশপ্রত্যাহার

খুলনা, ১০ জানুয়ারি : খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় মঙ্গলবার এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় তার ভাইকে বাইনতলা ফাঁড়িতে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের পর ওই ফাঁড়ির ১২ পুলিশ সদস্যের সবাইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এলাকাবাসী সূত্র বলেছে, বটিয়াঘাটার আমীরপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতেন বাইনতলা ফাঁড়ির কয়েকজন কনস্টেবল। তাদের মধ্যে কনস্টেবল মো. নাঈম গতকাল সকাল ৯টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেন। ওই ছাত্রী বাইনতলা মোড়ে তার ভাইয়ের দোকানে গিয়ে ঘটনা জানায়। ভাই উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করলে পুলিশ তাঁকে ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনের পর হাজতে আটকে রাখে। খবর পেয়ে গ্রামবাসী ফাঁড়িতে গেলে পুলিশের সঙ্গে কয়েকজনের ধস্তাধস্তি হয়। গ্রামবাসী ফাঁড়ি ঘিরে রাখেন। আমীরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গোলদার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনা জানান। ওসি মোজাম্মেল হক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। খুলনার পুলিশ সুপার ঘটনা জানার পর দুপুরে কনস্টেবল মো. নাঈম, মামুন, রিয়াজ, আবির ও জাহীদকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। পরে বিকেলে ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী উপপরিদর্শক তারিকুজ্জামানসহ বাকি সাত সদস্যকেও প্রত্যাহার করা হয়।

ওই ছাত্রীর বাবা বলেন, বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে মেয়েকে প্রায়ই ওই কনস্টেবল উত্ত্যক্ত করতেন। গতকালও উত্ত্যক্ত করায় তাঁর ছেলে প্রতিবাদ করলে পাঁচ কনস্টেবল তাকে বেদম মারধর করে আহত করেছেন। ছেলেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী বিস্মিত।

বটিয়াঘাটা থানার ওসি মোজাম্মেল হক বলেন, উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ সত্য নয়। ওই মেয়ের ভাই পুলিশের সঙ্গে তর্ক করায় তাঁকে ফাঁড়িতে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তাঁদের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে।

খুলনার পুলিশ সুপার মো. নিজামুল হক মোল্যা এ প্রতিবেদককে বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ফাঁড়ির সব পুলিশ সদস্যকে খুলনা পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাঈমুল হককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঝিনাইদহে ৮ পুলিশ প্রত্যাহার

নিজস্বপ্রতিবেদক, ঝিনাইদহ জানান, ঝিনাইদহে প্রশাসনিক কারণ ও একটি বাসে ডাকাতির ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মহেশপুর থানার দুই কর্মকর্তাসহ আট পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করেছে কর্তৃপক্ষ।

মহেশপুর থানার ওসি আহমেদ কবীর বলেন, ৪ জানুয়ারি মধ্যরাতে একটি বাসে ডাকাতির ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে গতকাল মহেশপুর থানার উপপরিদর্শক আনিচুর রহমান, কনস্টেবল আবদুল গফ্ফার, আসাদুল ইসলাম ও ইমরান হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।-প্রথম আলো।

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul