adimage

১৯ অক্টোবর ২০১৮
সকাল ১১:৫২, শুক্রবার

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে হালাল পণ্য বিরোধী অভিযান

আপডেট  05:49 AM, অক্টোবর ১১ ২০১৮   Posted in : আন্তর্জাতিক    

চীনেরজিনজিয়াংপ্রদেশেহালালপণ্যবিরোধীঅভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ১১ অক্টোবর : মুসলিম অধ্যুষিত জিনজিয়াং প্রদেশে হালাল খাদ্য ও পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করেছে চীন। তবে দেশটির দাবি, তাদের এই অভিযান ধর্মীয় উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে। গত সোমবার প্রদেশটির রাজধানী উরুমকিতে এ অভিযান শুরু করেছে চীন। ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা-কর্মীরা হালালপন্থী প্রবণতা নি:শেষ করার শপথ নিয়েছেন। এর আগেও সেখানে বসবাসকারী মুসলিমদের ওপর বিভিন্ন বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে কমিউনিস্ট সরকার। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

খবরে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিনজিয়াংয়ে দফায় দফায় অভিযান চালিয়েছে বেইজিং। কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে এসব অভিযান চালিয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত জাতিসংঘের রিপোর্টে জিনজিয়াংয়ে বসবাসকারী মুসলিমদের আরো ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রদেশটির প্রায় দশ লাখ উইঘুর মুসলিমকে জোরপূর্বকভাবে বেআইনি ‘পুন:শিক্ষা শিবিরে’ আটকে রাখা হয়েছে। এবার জিনজিয়াংয়ে নজিরবিহীনভাবে হালাল বিরোধী অভিযান শুরু করলো কমিউনিস্ট সরকার। ইসলাম ধর্মের রীতি অনুসারে যেসব পণ্য, খাদ্য বা পানীয় ব্যবহার বা ভক্ষণ বৈধ সেগুলোই হালাল বলে পরিচিত। এটা মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধান। কিন্তু গত সোমবার উরুমকির কমিউনিস্ট নেতারা তাদের অনুসারীদের হালাল বিরোধী যুদ্ধে নামার শপথ পড়িয়েছেন। উরুমকির দাপ্তরিক ‘উইচ্যাট’ অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে ধর্ম বর্জনের ডাক দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি  কমিউনিস্ট পার্টির নেতা-কর্মীদের হালাল বিরোধী যুদ্ধে শামিল হওয়ার শপথ নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া, হোটেলে হালাল খাদ্যের বিশেষ ব্যবস্থা রাখার প্রবণতা বাদ দেয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে সমর্থন দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত  গ্লোবাল টাইমস ট্যাবলয়েডের খবরে বলা হয়েছে, হালালপন্থি প্রবণতার কারণে ধর্মীয় উগ্রপন্থার উদ্ভব ঘটছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের প্রাণঘাতি সহিংসতার পর থেকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জিনজিয়াং প্রদেশে চীনা কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সেখানে উইঘুরসহ অন্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর নেমে এসেছে একের পর এক কঠোর বিধি নিষেধ। সেখানে মুসলিমদের দাড়ি ও বোরকা নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া, লাখ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বিচারবহির্ভূতভাবে ‘পুন:শিক্ষা’ কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়েছে। যদিও চীন এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।


সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul