adimage

২১ অগাস্ট ২০১৮
সকাল ০১:০৬, মঙ্গলবার

ভারতকে তোয়াক্কা না করেই প্রকল্প চীনের

আপডেট  07:33 AM, অগাস্ট ০৯ ২০১৮   Posted in : আন্তর্জাতিক    

ভারতকেতোয়াক্কানাকরেইপ্রকল্পচীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ৯ আগস্ট : দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠকই হোক অথবা ঘরোয়া আলোচনা। চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনফিং-এর সঙ্গে যখনই কথা হয়েছে, চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু সম্প্রতি পাওয়া একটি রিপোর্ট সাউথ ব্লকের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। দেখা যাচ্ছে, ভারতের আপত্তির তোয়াক্কা না করেই নিঃশব্দে সিপিইসি-র (যা কি-না চীনের মহাযোগাযোগ প্রকল্প ওবর-এর আওতাধীন) ৪৩টি প্রকল্প প্রায় শেষ করে ফেলেছে চীন। বাকি ১৫৭টি প্রকল্পের কাজও শুরু হতে চলেছে।

সিপিইসি নিয়ে ভারতের প্রধান আপত্তির কারণ, বাণিজ্য করিডরটি গিয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে। নয়াদিল্লি বারবার বেইজিংকে জানিয়েছে, ইসলামাবাদ এই এলাকাকে বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে। তাই ভারত চায় না, এখানে কোনও তৃতীয় রাষ্ট্র পরিকাঠামো তৈরি করুক। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, ডোকলাম পরবর্তী পর্যায়ে চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরিতে একের পর এক কূটনৈতিক উপঢৌকন দিয়ে যাচ্ছে ভারত। আর নয়াদিল্লির স্পর্শকাতর ক্ষেত্রগুলোতে চাপ বাড়িয়েই চলেছে বেইজিং।

পরমাণু সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে (এনএসজি) ভারতের অন্তর্ভূক্তি, পাক জঙ্গি মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা, ভারত-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি মেটাতে ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়া- কোনও ক্ষেত্রেই পদক্ষেপ করতে দেখা যাচ্ছে না চীনকে। বরং ভারতের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলতে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মলদ্বীপে বাণিজ্যিক এবং কৌশলগত সহযোগিতা বাড়িয়ে চলেছে চীন। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতকে একঘরে করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। অথচ উহানে ১২ঘণ্টা কথা বলেছেন দুই নেতা। সহযোগিতা বাড়াতে অনেক শব্দই খরচ করেছেন চিনফিং।

অথচ ভারত দীর্ঘদিনের অবস্থান বদলে এক-চীন নীতি মেনে নিয়েছে। তাইওয়ানগামী ভারতীয় বিমানের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে চীনের নামে। আমেরিকার অনুরোধ সত্ত্বেও সম্প্রতি ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যৌথ পরিকাঠামো প্রকল্প থেকে সরে এসেছে নয়াদিল্লি। মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের একাধিপত্য খর্ব করার জন্যই গত বছর আমেরিকা-জাপান-অস্ট্রেলিয়ার ত্রিদেশীয় অক্ষের সঙ্গে নয়াদিল্লি যুক্ত হয়েছিল। তবে কূটনৈতিক শিবিরের মতে, বেইজিংকে খুশি রাখতেই ভারতের এই সরে আসা। শুধু তাইওয়ান নয়, তিব্বত নিয়ে চীনের স্পর্শকাতরতার দিকটি মাথায় রেখে ফেব্রুয়ারি মাসে তিব্বতি ধর্মগুরু দলাই লামার অনুষ্ঠানে যোগ না দেওয়ার জন্য সরকারের শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul