adimage

২৩ অক্টোবর ২০১৯
বিকাল ০৬:৩৩, বুধবার

পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা ভারতের

আপডেট  02:25 AM, সেপ্টেম্বর ৩০ ২০১৯   Posted in : অর্থ ও বাণিজ্য     

পেঁয়াজরফতানিতেনিষেধাজ্ঞাভারতের

অর্থনৈতিক ডেস্ক, ৩০ সেপ্টেম্বর : নিজেদের বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারত সরকার। রবিবার দেশটির শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডয়ান এক্সপ্রেস জানায়, অভ্যন্তরীণ বাজারে বেশ কিছুদিন ধরে উর্ধ্বমুখী পেঁয়াজের দাম। তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এ সিদ্ধান্ত নেয়।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এদিনের পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

গত সপ্তাহে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায় , এতদিন ভারত থেকে প্রতি টন পেঁয়াজ আমদানি করা হতো ২৫০ থেকে ৩০০ ডলারে। হঠাৎ ভারত সরকার নিজ দেশে পেঁয়াজের দর স্থিতিশীল রাখতে রপ্তানির সর্বনিমন্ম দর ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করে। যে কারণে বাংলাদেশেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

এর ফলে বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে। এর আগের দিন ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে ন্যূনতম রপ্তানিমূল্য টনপ্রতি ৮৫০ ডলারে (প্রায় ৭২ হাজার টাকা) বেঁধে দেয়। এ খবর জানার পরদিনই ঢাকার পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা হয়ে যায়, এখন যা কেজিপ্রতি ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় পেঁয়াজ কিছুটা কম দামে কেজিপ্রতি ৭০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, দুর্গা পূজার আগে লাগামছাড়া দাম বাড়ে পেঁয়াজের। গত একমাসে দাম দ্বিগুণ হয়। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম সেখানে ভারতীয় রূপিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। পেঁয়াজ আমদানিতে ঘাটতি পড়ায় দাম বেশি বলে দাবি বিক্রেতাদের।

পশ্চিবঙ্গের ব্যবসায়ীদের মতে, সেখানে পেঁয়াজ উৎপাদন কম হয়। মহারাষ্ট্রের নাসিক, কর্ণাটকের মাকলি ও অন্ধ্রের কুরনুল থেকেই মূলত পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। নাসিক থেকে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও মধ্যপ্রাচ্যে পেঁয়াজ রফতানি গত কয়েক বছরে বেড়েছে। এর জেরে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহে টান পড়েছে বলে মনে করা হয়।

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul