adimage

২১ অক্টোবর ২০১৮
বিকাল ০৪:০৬, রবিবার

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে হাইকোর্টে তলব

আপডেট  04:33 PM, মে ২৩ ২০১৮   Posted in : অর্থ ও বাণিজ্য ব্যাংক-বীমা    

বেসিকব্যাংককেলেঙ্কারি:মামলারসবতদন্তকর্মকর্তাকেহাইকোর্টেতলব

ঢাকা, ২৩ মে : রাষ্ট্রায়াত্ত বেসিক ব্যাংকের সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেঙ্কারির ৫৬ মামলার তদন্ত আড়াই বছরেও শেষ করতে না পারায় মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ৩০ মে বুধবার তলব করেছেন হাইকোর্ট। আইনে নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে মামলাগুলোর তদন্ত শেষ না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আদালত।

বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এইদিন ৫৬ মামলার কয়েকজন আসামির জামিন শুনানিতে নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ করতে না পারার বিষয়টি উঠে এলে হাইকোর্ট এই নির্দেশ দেন। ধার্য তারিখে তদন্ত কর্মকর্তাদের মামলার নথিপত্র, সিডিসহ আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ফজলুল হক। জামিন আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ ও আবদুল মতিন খসরু প্রমুখ। খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বেসিক ব্যাংকের অন্তত ৫৬ মামলার মধ্যে কয়েক মামলার আসামি ফজলুস সোবহান, শিপার আহমেদসহ কয়েক জনের জামিন শুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবালসহ সব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ৩০ মে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।’

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে ২০১৫ সালের ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও গুলশান থানায় ১২০ জনকে আসামি করে ৫৬টি মামলা করে দুদক। এসব মামলায় বেসিক ব্যাংকের ২৭ কর্মকর্তা, ১১ জরিপকারী ও ৮২ ঋণগ্রহণকারী ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। গত বছর আরও ৫টি মামলা করে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর দুই মেয়াদে ব্যাংকের সাড়ে চার হাজার কোটি লোপাট হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ৩৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৪১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওই সব মামলা করা হয়। বাকি দুই হাজার ৪৬৩ কোটি ৩৪ লাখ পাঁচ হাজার ৬৫৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

Comments

এই পেইজের আরও খবর

মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

nazrul